fbpx

ওজন কমানোর মিশন সফল?

নায়ক-নায়িকা স্লিম না হলে কী ভালো লাগে? যেমন ছবি, তেমন ফিগার। চরিত্রের প্রযোজনে ওজন কমানো-বাড়ানো নায়িকাদের কাছে সাধারণ ব্যাপার। এক্ষেত্রে বলিউড সবচেয়ে এগিয়ে। নানা সময়েই সংবাদ হয় নায়িকাদের ওজন কমানো নিয়ে। এইতো সেদিন সাইফকন্যা অকপটে জানালেন, তার ওজন কমানোর রহস্য।

২৮ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত দ্বিতীয় ছবি ‘সিম্বা’। পর্দায় যে সারা খানকে দেখতে পাচ্ছেণ দর্শক কয়েক বছর আগেও কিন্তু সারা এমন ছিলেন না। অবাক হওয়ার মতো বিষয় তখন তার ওজন ছিলো ৯৬ কেজি! মাত্র দেড় বছরে ৪৬ কেজি ওজন কমিয়েছেন। এখন সারার ওজন মাত্র ৫০ কেজি।

দীর্ঘদিন পলিসিসটিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে ভুগেছেন ২৫ বছর বয়াসী সারা। এই রোগের কারণে তার শরীরের ওজন গিয়ে দাঁড়ায় ৯৬ কেজিতে! হরমোনজনিত এই রোগের কারণে ওজন কমাতে বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয় সারাকে। ওজন কমাতে যথেষ্ট বেগ পোহাতে হয়েছে তাকে। নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি ডায়েটেও অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়েছে।

সাইজ জিরো কখনো হতে চাননি সোনাক্ষি সিনহা। কিন্তু নানা মুখে নানা কথা শুনে তিনিও ওজন ঝড়িয়েছেন ৩০ কেজি। বিদ্যা বালান স্বাস্থ্যবান নায়িকা হিসেবে পরিচিতি পেলেও তিনি নাকি ১০ কেজি ওজন ঝড়িয়েছিলেন।

‘হামারি আধুরি কাহানি’ সিনেমার সময়ই এমন রিস্ক নেন তিনি। এমনিতে বিদ্যা কখনই বলি নায়িকাদের ট্রেন্ড মেনে স্লিম ফিগারের দিকে ঝোঁকেননি। বরং বারবার জানিয়েছেন তিনি যেরকম সেরকমই। তাহলে এবার ওজন কমানোর হিড়িক কেন?

সেক্ষেত্রে বাংলাদেশও কিন্তু কোন অংশে পিছিয়ে নেই। প্রায় দেড় যুগ ধরে সিনেমার সঙ্গে যুক্ত পপি। তার শারীরিক গঠন ও উচ্চতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। একজন পরিপূর্ণ নায়িকা হতে যা যা দরকার, তার সবটুকুই বিদ্যামান পপির মধ্যে।

অনেকেই লক্ষ করেছেন, বছরের শুরুর দিকে একেবারে নিজের শরীরের ওজন কমিয়ে নতুন আকার ধারণ করেছেন পপি। আর সেটা নাকি মোট ২১ কেজির মত! অর্থাৎ তিনি নিজের শরীরের ২১ কেজি মাংস কমিয়ে ফেললেন!

শোনা যাচ্ছে, গত তিন মাসে ঠিক মত ভাত খাওয়া তো দূরের কথা, রুটি পর্যন্ত নিয়মিত খাননি এই নায়িকা। শরীরকে মেদশূন্য করতে নাকি বিশেষ ধরনের ধূমপানও সেবন করছেন তিনি! তবে শোনা কথাতো সবসময় সত্য হয় না। রহস্য ফাঁস করেননি পপিও।

নিজের শরীরকে আকর্ষণীয় ও ফিট রাখতে গিয়ে অতিরিক্ত ডায়েট করে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি হয়েছেন ‘মুসাফির’ ছবির নায়িকা মারজান জেনিফা। অনেক কষ্টে তিনি নাকি ৫ কেজি ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছিলেন।

অপু বিশ্বাস তো দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছেন নিজেকে ফিট রাখার জন্য। মো হওয়ার পরে নিজের ওজন নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে বলতেন, ‘এই অবস্থায় ছবি তোলা লাগবে না। কয়েকদিনের মধ্যে স্লিম হয়ে ফিরে ছবি দিব।’ নায়ক শাকিব খানও সেই সময় অপু সম্পর্কে বলতেন, ‘নিজেকে ফিট করে আবারও ফিরবেন অপু।’শাকিবের সঙ্গে আর ফেরা হলো না। তবে অপু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শরীরের ওজন কমানোর মিশনে কম যান না শাকিব খানও। তিনি হুট করে ১৩ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন। সেটা ছিল কলকাতার দাদাদের জন্য। দেশীয় সিনেমায় ব্যস্ত হয়ে অবশ্য ওজন আবার বেড়ে যাচ্ছে। তবে শোনা যায়, শাকিব খান নিয়মিত ব্যায়ামাগারে যান। আগের চেয়ে অনেক নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করছেন তিনি। মনোযোগ দিয়েছেন শরীরের ফিটনেসের দিকে।

অন্যদিকে, ঢালিউডের খলনায়ক থেকে নায়ক হওয়া মনোয়ার হোসেন ডিপজলও কিন্তু ঘাম ঝড়িয়েছেন ওজন কমানোর এখন নিয়মিত জিম করছেন। নিজের ওজন কমাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে সাতদিন হাসপাতালেও ছিলেন।

শাবনুরও বলছেন ওজন কমিয়ে ফিরবেন। মৌসুমীও নিয়মিত ওজন কমানোর দৌড়ে আছেন। তবে ঢাকাই সিনেমার নায়ক- নায়িকার এমন পদক্ষেপ খুব একটা সফল হতে দেখা যায় না। তবু চেষ্টা করতে দোষ কী! চলুক ওজন কমানোর মিশন।

আপনি দেখেছেন কি?

আমজাদ হোসেনের মৃত্যু গুজব

বরেণ্য চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনকে ব্যাংককে নিয়ে যাবার জন্য প্রস্তুতি চলছে। আজ মঙ্গলবার যেকোনো সময় তাকে …