fbpx

ওমানে ২টি পেট্রল পাম্পের মালিক বাংলাদেশের আতিকুজ্জামান !

জীবিকার টানে এখন বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ লোক যায় বিদেশে। আর তার বেশি সংখ্যকই পাওয়া যাবে মধ্য প্রাচ্যে।ওমানে অসংখ্য বাংলাদেশি প্রবাসির দেখা মেলে।

ওমানে সাত লাখের অধিক বাংলাদেশি বসবাস করছেন।সেখানে বাংলাদেশিরা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন জীবনের ঝুকি নিয়ে। দেশটিতে বেশিরভাগ বাংলাদেশিই কনস্ট্রাকশন কাজে নিয়োজিত।

এছাড়াও কৃষি সেক্টর থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যে বাংলাদেশিদের অবস্থান বেশ প্রশংসনীয়। ৭ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির মাঝে হাতেগোনা কয়েকজনের মধ্যে আতিকুজ্জামান একজন সফল বাংলাদেশি।

চাঁদপুর জেলার মতলব থানার এখলাছপুর গ্রামের কৃতি সন্তান আতিকুজ্জামান। ভাগ্য বদলের আসায় ২২ বছর আগে পাড়ি জমান ওমানে। অন্যান্য দশজনের মতো তিনি সাধারণ একজন শ্রমিক হিসেবেই যাত্রা করেন।

প্রথমে শেল পেট্রল পাম্পের শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর তার পদোন্নতি হয় সুপারভাইজার হিসেবে। দীর্ঘ ১৪ বছর তিনি চাকরি করেন একই কোম্পানিতে। এরপর নিজের সততা ও সাহস নিয়ে নেমে পড়েন পেট্রল পাম্পের ব্যবসায়।

কাজে সততা থাকলে পিছে ফিরতে হয় না। তেমনি এ বাংলাদেশি এগিয়ে গেছে দূর-বহুদূর। সাধারণ শ্রমিক থেকে এখন তিনি ২টি পেট্রল পাম্প পরিচালনা করছেন। ওমানের প্রসিদ্ধ শহর আল হিল ও জিফনিন শহরে তার পেট্রল পাম্প রয়েছে।

সাধারণত ওমানের সব জায়গাতে শেল পেট্রল পাম্প, ওমান ওয়েল ও আল মাহা পেট্রল পাম্প, এই তিনটি পেট্রল পাম্প কোম্পানিই তেল সাপ্লাই দিয়ে থাকে। একজন বাংলাদেশি দুইটা পেট্রল পাম্প পরিচালনা করছেন। তার এমন সফলতায় গর্বিত ওমান প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

জানা যায়, বাংলপাদেশি আতিকুজ্জামান যেমন একজন সফল ব্যবসায়ী, ঠিক তেমনই একজন সফল অভিভাবকও। তার স্ত্রী ও তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে বেশ সুখে শান্তিতেই আছেন দেশটিতে।

তিনি, ছেলে-মেয়েদের স্কুল ছুটি হলেই চলে যান পরিবার নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এছাড়া আতিকুজ্জামান বাংলাদেশ সোস্যাল ক্লাব ওমানের ট্রেজারার হিসেবে দীর্ঘ ৪ বছর সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।তার সঙ্গীরা তার ব্যাবহারে অনেকটা খুশি ।

আপনি দেখেছেন কি?

‘কিছু প্রবাসীর কারনে দেশের নাম খারাপ হচ্ছে’

কুমিল্লার এক যুবকসহ তিন বাংলাদেশির প্রত্যেকের ডান হাত ও বাম পা কর্তন করার নির্দেশ দিয়েছে …