বিস্কিটের প্যাকেটে এই বাচ্চা মেয়েটি কে জানেন?

ছোটবেলা থেকে দু’একবার হলেও নিশ্চয়ই পার্লে-জি বিস্কিট খেয়েছেন। অন্তত তিন-চার প্রজন্ম ভারতীয়দের ব্রেকফাস্ট থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ অফিসের টিফিনে সস্তায় পেট ভরানোর পুষ্টিকর উপায় হিসেবে সেরা পছন্দ হিসেবে রয়ে গিয়েছে পার্লে-জি।

এই বিস্কুটটির অনুকরণে বাজারে অনেক বিস্কুটই এসেছে কিন্তু পার্লে-জিকে কেউই সিংহাসনচ্যুত করতে পারেনি। আর এখন তো বিশ্বের সবথেকে বেশি বিক্রীত বিস্কিটের ব্র্যান্ডের জায়গা দখল করে নিয়েছে পার্লে-জি।

পার্লে-জি’র প্যাকেটের গায়ে বাচ্চা মেয়েটির ছবিও নিশ্চয়ই আপনার নজর এড়ায়নি। সেই শুরু থেকে আজ অবধি পার্লে-জি বিস্কিটের প্যাকেটে এই মেয়েটির ছবি ব্যবহার করা হচ্ছে। পার্লে-জি’র বয়স বেড়েছে। কিন্তু এই মেয়েটির বয়স বাড়েনি। কখনও ভেবে দেখেছেন এই মেয়েটি কে? এখন তার চেহারাটাই বা কেমন?

কোনও কোনও মহল থেকে দাবি করা হয় যে, এই মেয়েটি নাকি নাগপুরের বাসিন্দা ৬৫ বছরের নীরু দেশপাণ্ডের ছোটবেলার ছবি। তাঁর বাবা নাকি পার্লের বিজ্ঞাপন দেখে নীরুর ছবি তুলে পাঠান।

কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় নীরু বলে দাবি করে যে ভদ্রমহিলার ছবি ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেটি আসলে প্রাক্তন ইনফোসিস কর্তা নারায়ণমূর্তির স্ত্রী এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী সুধা মূর্তির ছবি। ফলে, পার্লের প্যাকেটে সেই শিশুকন্যার রহস্য ভেদ করা যায়নি।

শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই রহস্য ভেদ করেছে পার্লে কর্তৃপক্ষই। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৬০-এর দশকে এভারেস্ট ক্রিয়েটিভ নামে একটি বিজ্ঞাপন সংস্থা পার্লে জি বিস্কুটের জন্য এই বাচ্চা মেয়েটির ছবি এঁকে দিয়েছিল। যদিও তখন এই বিস্কিটের নাম ছিল পার্লে গ্লুকো। ফলে, বাস্তবে মেয়েটির কোনও অস্তিত্ব নেই। কিন্তু, তাকে ছাড়া পার্লে-জিও যেন অসম্পূর্ণ।

আপনি দেখেছেন কি?

কেন লাদেনের মৃতদেহ কাউকে না দেখিয়ে সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হল ? তার পিছনে রয়েছে বহু রহস্য…

কেন এটা ? কেন ? কৌতূহল ! আমরা কখনোই তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাইনি। তাই …

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE