ইসলাম

যারা কাবা ঘর ধ্বংস করতে গিয়েছিল, তারাই ধ্বংস হলো! বিস্তারিত পড়ুন…

কাবা প্রাঙ্গনে ছুটছে মহান আল্লাহর মেহমানরা। প্রেম নিবেদনে আকুল মন দিল। হাজরে আসওয়াদের চুমুতে ঝরবে সব পাপ পঙ্কিলতা। মহান আল্লাহর রহমত ও বরকতে সিক্ত হবে দেহ ও মন। কাবার প্রতি এমন প্রেম নিবেদন নিয়ে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ হাজীরা ছুটে যান। চোখের অশ্রুতে ভিজিয়ে দেন কাবা প্রাঙ্গন। লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে …

আরও পড়ুনঃ-

যে কারণে শুকরের মাংস নিষিদ্ধ ইসলামে

ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মের অনেকের কাছেই প্রিয় শুকরের মাংস। কিন্তু মুসলমানরা এ মাংস খান না। অনেকেই এটা নিয়ে তিরস্কার করেন মুসলিমদের। কিন্তু শুকরের মাংস কেন হারাম করা হয়েছে সেটা জানলে সবাই বলবে এটা নিষিদ্ধ হওয়াই উচিত। পিসটিভিতে ডা. জাকির নায়েকের প্রশ্ন উত্তর পর্বে বিষয়টি পরিস্কার করেছেন। আসুন জেনে নেই কেন …

আরও পড়ুনঃ-

জেনে নিন আল্লাহ বান্দার যে দান গ্রহণ করে তা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেন

আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে সুদের ভয়াবহ শাস্তির কথা উল্লেখ করেছেন। যা ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা আরো ঘোষণা দেন যে সুদের অর্থ-সম্পদ ধ্বংস করে দেবেন। আর যারা তাদের সম্পদ থেকে দান সাদকা করবেন তাদের সম্পদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেবেন। আল্লাহ তাআলা বান্দার দানকে ডান হাতে গ্রহণ করে তা বহুগুণে …

আরও পড়ুনঃ-

সুবহানাল্লাহ! মা-সন্তান ও এক স্ত্রীর অসাধারণ গল্প, পড়লে বদলে যাবে আপনার জীবনও

বিয়ের ২১ বছর পর আমার স্ত্রী আমাকে বলল অন্য একজন মহিলাকে নিয়ে বাইরে বেড়াতে ও খেতে নিয়ে যেতে। সে বলল, “আমি তোমাকে ভালবাসি, কিন্তু আমি জানি এই মহিলাটিও তোমাকে ভালবাসেন এবং তিনি তোমার সাথে একান্তে কিছু সময় কাটাতেও ভালবাসবেন।” আমার স্ত্রী যার সাথে আমাকে বাইরে যেতে বলছিল, তিনি ছিলেন আমার …

আরও পড়ুনঃ-

সাহাবীদের পরিচয়, সংখ্যা ও মর্যাদা

মাওলানা মিরাজ রহমান: ‘সাহাবী’ একটি আরবি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ সঙ্গী, সাথী। পরিভাষায় সাহাবী বলা হয়, যারা ঈমান অবস্থায় নবী করীম (সা.) -এর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং মুমিন অবস্থাতেই ইন্তেকাল করেছেন তাদেরকেই ‘সাহাবী’ বলা হয়। (কাওয়াইদুল ফিকহ, সাইয়েদ মুফতি মুহাম্মাদ আমীমুল এহসান, পৃষ্ঠা-৩৪৬) সাহাবীগণের সংখ্যা লক্ষাধিক। নবী-রাসূরগণের পরই তাদের মর্যাদা। …

আরও পড়ুনঃ-

কোরবানির আগে-পরে কি করবেন, কি করবেন না

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব ঈদুল আজহার বেশি দেরি নেই। এরই মধ্যে কোরবানির পশু কেনা নিয়ে প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে। মিডিয়াতেও তার পূর্বাভাস মিলছে। কোরবানি দাতার জন্য রয়েছে ইসলামের বিশেষ কিছু নির্দেশনা। রয়েছে কোরবানির জন্য পশু কেনা, কোরবানি করা ও কোরবানির পর করণীয় নানা বিষয়। এসব নিয়েই থাকছে বিশেষ …

আরও পড়ুনঃ-

কুরবানি: ফরজ, ওয়াজিব নাকি সুন্নাত?

এই প্রশ্নের উত্তর অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমান ব্যক্তিও জানেন না। এছাড়া কুরবানি সংক্রান্ত অন্যান্য মাসয়ালাও না জানার ফলে দারুণ ত্যাগ-তিতিক্ষা থাকার পরও অনেকের কুরবানি মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। আসুন জেনে নেই কুরবানির প্রয়োজনীয় মাসয়ালা। ইসলাম ধর্মে কুরবান একটি গুরূত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রত্যেক সামর্থবান ব্যক্তির ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব। যে ব্যক্তির …

আরও পড়ুনঃ-

কোরবানির দিন ও কোরবানির দিনের ফজিলত

কোরবানিঃ পশু উৎসর্গ করা হবে এক আল্লাহর এবাদতের উদ্দেশ্যে যার কোন শরিক নেই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন শুধু তার এবাদত করার জন্য। যেমন তিনি বলেন : ‘আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে তারা শুধু আমার এবাদত করবে।’ আল্লাহ তাআলা তার এবাদতের জন্য মানব জাতিকে …

আরও পড়ুনঃ-

মহানবী (সা.)-এর জীবনে কোরবানি

মুফতি হুমায়ুন কবির খালভি: রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর কোরবানির বিধান অবতীর্ণ হয়। কোরবানি নতুন কোনো বিষয় নয়। এর ধারাবাহিকতা আদম (আ.)-এর যুগ থেকেই চালু হয়েছে। আল কোরআনে কাবিল ও হাবিলের কোরবানির কথা এসেছে। তাঁদের দুজনের কোরবানি থেকে হাবিলের কোরবানি কবুল হয়েছিল। আর মুসলিম সমাজের কোরবানি মিল্লাতে ইব্রাহিমের অনুসরণ। …

আরও পড়ুনঃ-

সাত শরীকের কোরবানি এবং কারো নিয়তে সমস্যা থাকলে?

মাসআলা: সাত শরীকের কুরবানী, সাতজনে মিলে কুরবানী করলে সবার অংশ সমান হতে হবে। কারো অংশ এক সপ্তমাংশের কম হতে পারবে না।যেমন কারো আধা ভাগ, কারো দেড় ভাগ। এমন হলে কোনো শরীকের কুরবানীই সহীহ হবে না। [বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৭] মাসআলা: কোনো অংশীদারের গলদ নিয়ত হলে, যদি কেউ আল্লাহ তাআলার হুকুম পালনের …

আরও পড়ুনঃ-
Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE